মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
অহনলিপি-বাংলা১৪ ডাউনলোড লিংক:
অথবা
https://sites.google.com/site/ahanlipi/
বাংলা যুক্তবর্ণ তালিকা
প্রথমে দেখা যাক যুক্তবর্ণ বা যুক্তব্যঞ্জন কাকে বলে?
নাম থেকেই স্পষ্ট যে দুটি ব্যঞ্জন যুক্ত হলে তাকে যুক্তব্যঞ্জন বলে “শক্ত” শব্দে ‘ক্ত’ হল যুক্তব্যঞ্জন আর ‘বংশ’ শব্দের “বং” প্রকৃতপক্ষে যুক্তব্যঞ্জন, কারণ অনুস্বর/অনুস্বার বর্ণমালায় ব্যঞ্জনভুক্ত যদিও এটাকে তেমনভাবে যুক্তব্যঞ্জন মানতে আমাদের ধাঁধা লাগে যদি ‘ক্ত’ জতীয় সংযোগকেই কেবলমাত্র যুক্তব্যঞ্জন বলে ধরা হয়, তবে বাংলায় বিশুদ্ধ যুক্তবর্ণ আছে ৩৯৫টি
নাম থেকেই স্পষ্ট যে দুটি ব্যঞ্জন যুক্ত হলে তাকে যুক্তব্যঞ্জন বলে “শক্ত” শব্দে ‘ক্ত’ হল যুক্তব্যঞ্জন আর ‘বংশ’ শব্দের “বং” প্রকৃতপক্ষে যুক্তব্যঞ্জন, কারণ অনুস্বর/অনুস্বার বর্ণমালায় ব্যঞ্জনভুক্ত যদিও এটাকে তেমনভাবে যুক্তব্যঞ্জন মানতে আমাদের ধাঁধা লাগে যদি ‘ক্ত’ জতীয় সংযোগকেই কেবলমাত্র যুক্তব্যঞ্জন বলে ধরা হয়, তবে বাংলায় বিশুদ্ধ যুক্তবর্ণ আছে ৩৯৫টি
দুই বর্ণ, তিন বর্ণ এবং চার বর্ণ মিলে বাংলায় যুক্তব্যঞ্জন হয় তার বেশি বর্ণের সংযোগ বাংলায় হয়না, অন্য ভাষায় অবশ্য আছে
বাংলার এই যুক্তব্যঞ্জনগুলির অনেকগুলিই দলা পাকানো, বা মণ্ডহরফ মণ্ডবর্ণ গঠনেও ভিন্নতা দেখা যায় বিভিন্নভাবে লেখা বা ছাপার টাইপ তৈরির নানা সুবিধার বিবেচনায় এসব ভিন্নতা এসেছে আটার দলার মতো দুটি বা তিনটি হরফ নিয়ে দলা পাকিয়ে লেখা চলে আসছে কবে থেকে? বাংলাভাষার জন্ম থেকেই বাংলায় গ্রহণ করা হয়েছে সংস্কৃত বর্ণমালা, কিন্তু তার ধ্বনিসমূহ বাংলায় সবক্ষেত্রে রক্ষিত হয়নি ফলে বানানে এবং উচ্চারণে বেশ তফাত দেখা যায় তবে সেটা যুক্তবর্ণের/যুক্তব্যঞ্জনের গঠন নিয়ন্ত্রণ করে না হাতে করে লেখার সময়-সংক্ষেপ, এবং পরিশ্রম বাঁচানো এসব মণ্ডবর্ণের লক্ষ্য
সান্দ্রধ্বনি হল অবিভাজ্য ধ্বনি সমবায়
এসব একটু দেখা যাক, নতুন যা হবে এবং পুরানো যা আছে, বা চালু ছিল তার একটি তালিকা দেখানো হল
প্রথমে দেখানো হল, যেমন রূপ হবে, পরে দেখানো হল যা আছে বা ছিল তা পাশাপাশি, তুলনা করার সুবিধার জন্য
বাংলার এই যুক্তব্যঞ্জনগুলির অনেকগুলিই দলা পাকানো, বা মণ্ডহরফ মণ্ডবর্ণ গঠনেও ভিন্নতা দেখা যায় বিভিন্নভাবে লেখা বা ছাপার টাইপ তৈরির নানা সুবিধার বিবেচনায় এসব ভিন্নতা এসেছে আটার দলার মতো দুটি বা তিনটি হরফ নিয়ে দলা পাকিয়ে লেখা চলে আসছে কবে থেকে? বাংলাভাষার জন্ম থেকেই বাংলায় গ্রহণ করা হয়েছে সংস্কৃত বর্ণমালা, কিন্তু তার ধ্বনিসমূহ বাংলায় সবক্ষেত্রে রক্ষিত হয়নি ফলে বানানে এবং উচ্চারণে বেশ তফাত দেখা যায় তবে সেটা যুক্তবর্ণের/যুক্তব্যঞ্জনের গঠন নিয়ন্ত্রণ করে না হাতে করে লেখার সময়-সংক্ষেপ, এবং পরিশ্রম বাঁচানো এসব মণ্ডবর্ণের লক্ষ্য
যুক্তবর্ণ গঠনের সূত্র -- (১)
অম্ল, গন্ধ, খদ্দর
(২)
কম্প্র , আর্দ্র,
স্প্লিট
দীর্ঘ দিন ধরে অনুসন্ধান করে যে তথ্যগুলি পাওয়া গেছে তা নিচে দেওয়া হল
চূড়ান্ত হিসেব--
চূড়ান্ত হিসেব--
দুই বর্ণ
|
তিন বর্ণ
|
চার বর্ণ
|
মোট
|
মোট
১৬৭+৩৯৫=
৫৬২
|
৫৬২+৮৪=
সর্বমোট=৬৪৬
|
|
ং ঃ ঁ
|
১০০
|
৫৪
|
১৩
|
=১৬৭
|
||
বিশুদ্ধ
|
২১১
|
১৬৮
|
১৬
|
=৩৯৫
|
||
এা-যুক্ত
|
৩১
|
৫৩
|
--
|
=৮৪
|
||
৩৪২
|
২৭৫
|
২৯
|
৬৪৬
|
এই যুক্তবর্ণসমূহের মধ্যে সান্দ্র ধ্বনি= ৫৬
সান্দ্রধ্বনি হল অবিভাজ্য ধ্বনি সমবায়
৫৬/৩৯৫=১৪.১৭৭২%=১৪.২% ;
৫৬/৫৬২=৯.৯৬৪৪= ১০%;
৩৯৫/৫৬২=৭০.২৮৪৬%=৭০.৩%
৩৯৫/৬৪৬=৬১.১৪৫৫=৬১%
প্রথমে দেখানো হল, যেমন রূপ হবে, পরে দেখানো হল যা আছে বা ছিল তা পাশাপাশি, তুলনা করার সুবিধার জন্য
বাংলা যুক্তবর্ণ
প্রথমে দুইবর্ণ--
কখগঘঙ __
ব-ফলা সব সময়েই অন্তঃস্থ ব(ৱ)
ক+ষ=ক্ষ
(ক্ষ এভাবে এটি স্বচ্ছ করা হবে না
মোট ৩৯৫টি যুক্তবর্ণের মধ্যে দুটি
এভাবে মণ্ড করেই রাখতে হবে, এটি তার প্রথম দ্বিতীয়টি হল জ+ঞ=জ্ঞ এটি জ্ঞ করা হবে না
তাতে বাংলা উচ্চারণে সমস্যা হবে)

জ+ঞ=জ্ঞ
(জ্ঞ এভাবে এটি স্বচ্ছ করা হবে না
মোট ৩৯৫টি যুক্তবর্ণের মধ্যে দুটি
এভাবে মণ্ড করেই রাখতে হবে, এটি তার দ্বিতীয়
নয়তো উচ্চারণের সমস্যা হবে)
টঠডঢণ--
যরলবশষসহ__
লেখা হত ল-এর
মতো করে দুটি বর্ণের মধ্যে তফাত বোঝা কঠিন
হত তাই ষ্+ণ=ষ গঠন বোঝাও কঠিন হত দেখে
এটি ষ্+ঞ = ষ
মনে হতে পারে, কিন্তু আসলে তা নয়
-রূপে পরিণত হয়েছিল।" বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া "বাংলা পাণ্ডুলিপি
পাঠসমীক্ষা" [বাংলা একাডেমী:ঢাকা, বাংলাদেশ, প্রথম প্রকাশ, ফেব্রুয়ারি-১৯৮৪, পৃঃ৪৪]।
অর্থাৎ, অনুমান করা যাক,
অর্থাৎ, অনুমান করা যাক,
ড়ঢ়য়ৎংঃঁ __
এর পরে তিন বর্ণের জন্য ব্লগ